বন্যায় পানিবন্দি এখনো ১২ লাখ পরিবার
ডেস্ক রিপোর্ট
338
প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট ২০২৪ | ০৪:০৮:০৪ এএম
ফাইল-ফটো
দেশের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পানিবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি মিলেছে ৩৩ হাজার ৬১৯টি পরিবারের। সোমবার পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮। মঙ্গলবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৭ হাজার ৪২৯টি পরিবারে। বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে ২৭ জনের, আর ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৫ জন।
তকাল মঙ্গলবার বন্যার সর্বশেষ পরিস্থিতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে চলমান ভয়াবহ বন্যার মধ্যেই ফারাক্কা ব্যারাজের ১০৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত। তবে এর ফলে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো এলাকা প্লাবিত হয়নি। অধিকাংশ এলাকায় পানি নেমে যাচ্ছে। যেসব এলাকায় নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে সেগুলো রানিং পানি, দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করছি। এটা রাজনৈতিক বন্যা পরিস্থিতি কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।
ত্রাণ বিতরণের বিষয়ে তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে। এখন পর্যন্ত দূরবর্তী সব উপজেলায় ত্রাণ পৌঁছানো গেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টিই আছে। বন্যায় কুমিল্লায় ১০ জন, ফেনীতে এক জন, চট্টগ্রামে পাঁচ জন, খাগড়াছড়িতে এক জন, নোয়াখালীতে পাঁচ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক জন, লক্ষ্মীপুরে এক জন এবং কক্সবাজারে তিন জন মারা গেছেন। এছাড়া মৌলভীবাজারে দুই জন নিখোঁজ আছেন। উপদেষ্টা জানান, পানিবন্দি বা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয়ের জন্য মোট ৩ হাজার ৮৮৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৫ লাখ ৯ হাজার ৭২৮ জন লোক এবং ৩৪ হাজার ৪২১টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে মোট ৬২০টি মেডিক্যাল টিম চালু রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, বন্যার্তদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ছয় দিনে নগদ কালেকশন হয়েছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি। এর মধ্যে ৬০ লাখ টাকার বেশি এসেছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।
কুমিল্লা-ফেনী-লক্ষ্মীপুরে ধীরগতিতে পানি কমলেও কুমিল্লা ও ফেনীর প্রান্তিক গ্রামগুলোয় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, শুকনা খাবার, পোশাক, জরুরি ওষুধের সংকট। তবে দুর্গত মানুষকে সহায়তায় জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রচুর পরিমাণ ত্রাণসামগ্রীও আসছে। কিন্তু পরিবহনের জন্য যথেষ্ট সংখ্যক নৌকা ও ট্রলার না থাকায় উপদ্রুত এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানো যাচ্ছে না। এদিকে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনোহরপুর, অলুয়াচণ্ডিপুর, নাল্লা, শশীদল, শিদলাই, বড়ধুশিয়া, বাড়েশ্বর, বৃষ্টিপুর, বুড়িচং সদর, ষোলনল, পীরযাত্রাপুর, বাকশিমুল ইউনিয়নের প্লাবিত এলাকাগুলোয় এখনো অবস্থার পরিবর্তন হয়নি।
আরও পড়ুন:
জাতীয় সম্পর্কিত আরও
ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান সভাপতিত্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
০৪ আগস্ট ২০২৬
ভোলায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান
০২ আগস্ট ২০২৬
ভোলার শহীদ মোহাম্মদ হানিফ : বাংলাদেশের এক গর্বিত সূর্য সন্তান
২৬ জুলাই ২০২৬
ভোলার শহীদ মোহাম্মদ হানিফ : বাংলাদেশের এক গর্বিত সূর্য সন্তান
২৫ জুলাই ২০২৬
ভোলা সরকারি মহিলা কলেজের ৫ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায়
১৯ জুন ২০২৬
ভোলার কাচিয়া সাহামাদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আমীর হোসেন বিদায়ী সংবর্ধনা
০২ মে ২০২৬
