একজন মিজানুর রহমান ও ভোলা পৌরসভা
নিজস্ব প্রতিবেদক
76
প্রকাশিত: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ০৫:০৩:৩৭ পিএম
একজন মিজানুর রহমান ও ভোলা পৌরসভা
লাল সূর্য প্রতিবেদক : ভোলা পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই পাল্টে গেছে পৌরসভার সম্পদের সদব্যাবহার ও পৌর নাগরিকের সেবার মান। অত্যান্ত দ্রুত ও সহজেই সেবা নিতে পারছেন পৌর নাগরিকরা।
পৌর নাগরিগের সুবিধার কথা চিন্তা করে নতুন বাজার,সদর রোড, বাংলা স্কুল মোড়, যুগিরঘোল মোড়, বরিশাল দালান মোড় সহ পৌর এলাকার গুরুত্বপুর্ন সড়ক গুলেতে যানঝট নিরসনে ভিডিপি সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। নতুন বাজার কে করা হয়েছে উন্মুক্ত। সেখানে করা হয়েছে বিকল্প রাস্তা যা জন ও যান চলাচলে বড় ধরনের প্রশান্তি এনে দিয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন রাস্থা ইতো মধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। যা মিজানুর রহমানের নিজস্ব প্রচেষ্টায় সম্বব হয়েছে।
এবার আসা যাক পৌর কিচেন মার্কেট (পৌর সপিংমল) কে আরো অধুনিকায়নে কাজ চলমান রয়েছে। অনেকটাই দুর্গন্ধ মুক্ত হয়েছে মাছ ও মুরগি বাজার বাজারটি প্রতিনিয়ত পরিস্কার করা হচ্ছে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে মাছ বাজারে আলাদা ভাবে একাধিক রাস্তা বের করা হয়েছে। সবগুলো কাজই নেয়া হয়েছে পৌর নাগরিকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে।
ইতোমধ্যে পৌর পানি সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন করতে একটি পাম্প স্থাপন করা হয়েছে আরো দুটি পাম্প স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান। কাচা বাজারের ম্যানহোলের ঢাকনা গুলো শক্তি শালি করা হয়েছে। সংস্কার বিহীন ড্রেনগুলো পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দিয়ে পরিস্কার আভিযান চলমান ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় ড্রেনের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে যা আগে কখনো হয়নি। পৌর পানি সরবরাহ আরো জোরালো করতে পৌর এলাকায় পানি সরবারাহের জরিপ কাজ শেষ করেছে। খুব শীঘ্রই এই শাখায় শুদ্ধি অভিযান চালানো হবে বলে পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমন জানিয়েছেন।
তার মতে পৌর সম্পদগুলোর সঠিক ব্যাবহার নিশ্চিত করা গেলে পৌর সম্পদের আয়ের টাকা দিয়ে পৌরসভা ভালো চলতে পারবে। স্টাফদের আর বেতন আটকে থাকবেনা। অন্ধকার পৌরসভা কে আলোকিত করার প্রত্যয়ে কাজ শুরু করেন দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই, পৌরসভার প্র্যত্যেকটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লাইট লাগিয়ে আলো ঝলমলে শহরে রুপান্তর করা হয়। প্রায় ১০০ জন নতুন পরিচ্ছন্ন কর্মি, ৫০ জন ডে লেবার এবং ১০ জন সুপারভাইসহ ১৬০ জন নতুন নিয়োগ প্রদান এবং পুরাতন ৭৫ জন সহ মোট ২৩৫ জন লোকবল দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পরিস্কার শহরে রূপ দান করা হয়েছে ভোলা পৌর শহরকে।
মশক নিধন ও লার্ভা বিনাশ করার জন্য নতুন ৮টি ফগার মেশিন ক্রয় এবং পুরাতন ২টি সহ মোট ১০টি মেশিন ব্যবহার করে ২০ জন লোকবল দিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ফলে এ বছর বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে কম ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ভোলাতে।
কয়েকটি রাস্তা ব্যতীত অধিকাংশ রাস্তা সংস্কার এবং নতুনভাবে কার্পেটিং ইতোমধ্যেই সমাপ্ত করা হয়েছে ফলে মানুষের ভিতরে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তিনি জানান চলতি বছরের সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পেলে অবশিষ্ট রাস্তাগুলোর সংস্কার কাজও জরুরি ভিত্তিতে সমাপ্ত করা হবে। পৌর প্রশাসক সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সকলকে সাথে নিয়েই একটি আধুনিক ও উন্নত পৌরসভায় উন্নীতকরণের প্রত্যাশা করেন।
আরও পড়ুন:
চাকরি সম্পর্কিত আরও
স্বচ্ছতা ও কর্মীদের নিরলস চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা -- বরিশালে কর্মী সম্মেলনে জাকির হোসেন মহিন
২৭ জুলাই ২০২৬
ভোলায় আধুনিকায়নকৃত ১০ শয্যার পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন
২৭ জুলাই ২০২৬
ভোলার নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা
১৪ জুলাই ২০২৬
ভোলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
১০ জুলাই ২০২৬
প্রতিবাদ
১০ জুলাই ২০২৬
ভোলায় গৃহবধূ কারিমার রহস্যজনক মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের : থানায় মামলা দায়ের
২১ জুন ২০২৬
